শুধু মিডিওকার হতে চাইনি

(সেই নার্সারী থেকে শুরু)

খানিক হাফ-বুদ্ধিজীবী, সেমি-কালচারাল, ফুল-সাবআর্বানমার্কা পরিবেশে বড় হওয়ায় ছোটবেলাতেই আমার প্রতিভার পূর্ণ বিকাশ ঘটে। আবিষ্কার করি ‘আমায় মিডিওকার হলে চলবে না’। (আমি একজন জিনিয়াস মতান্তরে মহাপুরুষ)।

আমায় আলাদা কিছু একটা করতে হবে, নইলে লোকে আমার প্রতিভার কথা জানবে কি করে! আলাদা কিছু করতে গিয়ে জীবনে সবই করে ফেলেছি! বাড়ি থেকে পালিয়েছি দুবার। লেখালেখি, থিয়েটার, ফটোগ্রাফি, পেইন্টিং, গান, খেলাধুলা সব জায়গায় আমার অসামান্য প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে এসেছি। একবার তো ওয়ার্ল্ডরেকর্ড করে ফেলছিলুম প্রায়। এছাড়াও গুচ্ছ পরকীয়া এবং বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজ। যেমন দুপুরে রক্তদান, রাতে থ্রি-সাম এসব তো আছেই। কিরাম প্রতিভা বুঝলেন?

এখন প্রতিভা শেষের দিকে। ৩৩ বছর বয়সে যদি জীবনের সব করা হয়ে গিয়ে থাকে তাহলে সুইসাইড করা ছাড়া আর কিছু করার থাকে না। সুইসাইড করিনি, ব্লগ লিখছি – একই ব্যাপার।

So, I’m here to spill the real tea 🙂

Leave a comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.